blog

শীতকালে জয়েন্টের যন্ত্রণায় নাজেহাল হয়ে উঠেছেন?

শীত বেশ জাঁকিয়ে পড়ছে। এ সময় শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন সবাই। সর্দি-কাশি তো আছেই, একই সঙ্গে গাঁটে গাঁটে ব্যথাতেও ভোগেন অনেকেই। আঙুল, পায়ের পাতা, গোড়ালি, কনুই, ঘাড় শরীরের প্রায় সব জায়গাতেই শীতে ব্যথা হতে পারে।সাধারণত আর্থ্রাইটিসে আক্রান্তদের এই সমস্যা বেশি হয়। এ সময় কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা কষ্টকর হয়ে ওঠে। হাঁটাচলা এমনকি হাত-পা নাড়াতে গেলেও ব্যথা অনুভব করেন।

শীতে রক্তনালী সংকুচিত হয়। ফলে ঠিক মতো রক্ত চলাচল হয় না। এর প্রভাব পড়ে হাড়ে। এ ছাড়াও শীতে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যাও অনেকটাই বাড়ে বলে বিভিন্ন গবেষণা জানাচ্ছে। অনেকের আবার জয়েন্টের কার্টিলেজের মধ্যে থাকা ঘর্ষণ প্রতিহতকারী তরলও এই সময়টায় শুকিয়ে যেতে পারে। এই কারণেও হতে পারে ব্যথা। ইন্ডিয়া টিভিতে এই আসনগুলোর কথা বলা হয়েছে যা আপনার জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে

১।উষ্ট্রাসনঃ-

জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন করুন উষ্ট্রাসন। এই আসন করলে কাঁধ ও পিঠের ব্যথা কমতে পারে। এমনকি ব্লাড প্রেশারও স্বাভাবিক থাকে। এ ছাড়াও কিডনি ভাল রাখে ব্যায়ামটি। স্লিপ ডিস্কের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দারুণ কাযর্করী হতে পারে এই ব্যায়াম।

২। শলভাসনঃ-

এই ব্যায়াম স্নায়ুতন্ত্রে দারুণ কাজ করে। শলভাসন রক্ত পরিষ্কার করে। এ ছাড়াও অ্যাজমা রোগীদের ক্ষেত্রেও ভাল কাজ করে এই ব্যায়াম। আর হাড়ের সমস্যায় এই ব্যায়াম ভীষণই কার্যকরী। তাই প্রতিদিন ব্যায়ামটি করুন।

৩। মর্কটাসনঃ-

হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি পেটের যে কোনো সমস্যার সমাধান করে মকর্টাসন। এ ছাড়াও লিভার, ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে এই ব্যায়াম।

৪। নৌকাসন:

ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিনই ব্যায়ামটি করা উচিত। এই ব্যায়াম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও পাচনশক্তি বাড়ানোর কাজেও ব্যায়ামটি দারুণ কার্যকরী।

গাঁটে গাঁটে ব্যথা সারানোর ঘরোয়া কিছু উপায় জেনে নিন-

১) ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি মেটাতে প্রায় ১ ঘণ্টা রোদে বসতে হবে।

২) ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে খাদ্য তালিকায় বার্লি, দুধ, দই, বাটার মিল্ক ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার খান।

৩) পিঠের ব্যথায় ভুগলে হলুদ, মেথি, শুকনো আদা পিষে গুঁড়া করে নিন। এরপর রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে পান করুন।

৪) জয়েন্টের ব্যথা ও বাত থেকে মুক্তি পেতে অ্যালোভেরা ও গিলো খেতে পারেন।

৫) হাড় মজবুত করতে তিসি রাখুন খাদ্য তালিকায়।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


%d bloggers like this: