blog

ত্বকের রঙ কালো নিয়ে আর দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই

আমাদের ত্বকে রয়েছে মেলানোসাইট নামে বিশেষ কোষ তৈরি করে মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ মেলানিনই ঠিক করে কার গায়ের রং কেমন হবে অর্থাৎ গায়ের রং সাদা বা কালো হয় মূলত ত্বকে মেলানিন এর উপস্থিতির কারণে। যা শরীরে মেলানিন যত বেশি সে ততো কালো। মিলানি তৈরি বেড়ে গেলে ত্বকের রঙ গাঢ় কালো হয়ে যায় যেমনটা ঘাড়ে রোদে পুড়লে আবার মেননের অস্বাভাবিক কমে গেলে রং ফ্যাকাসে সাদা হয়ে যায় যেমন শ্বেতী রোগ।

ত্বক যেন পুড়ে যায় যেখানে সেখানে কালচে দাগ সেই দাগ ছবির আড়ালে যেন আসল চেহারা ঢেকে যায়। বেশিরভাগ মহিলাদের কাছে এটি সাধারণ একটি সমস্যা। তবে শুধুমাত্র রোদে পুড়ে তো কালো হয় না কখনো নানান রোগ-বালাই বিশেষ করে হরমোনের প্রভাবে গায়ের রঙের পরিবর্তন হতে পারে। রং পাল্টাতে পারে নানান ওষুধপত্রের প্রভাবে আবার মানসিক চাপের কারণে ত্বকে কালো হয়ে যেতে পারে আরও বিভিন্ন কারণ রয়েছে স্ক্রিন কালো হয়ে যাওয়ার পিছনে সৌন্দর্য ধরে রাখতে তাই আগে থেকে জেনে রাখুন কি কি কারণ এ  কালো হয়ে যায়।

লিভারের সমস্যা- বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ত্বক কালো হয়ে যাওয়ার পিছনে একটি কারণ দায়ী থাকে।

হরমোনের পরিবর্তন- বিভিন্ন বয়সী শরীরে হরমোনের পরিবর্তন হতে থাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হরমোন খরিত হয় শরীরে যাওয়ার কারণে শরীরে হরমোন খরিত হয় তার কারণে ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে।

জিনগত কারণ- ত্বকের রঙ অনেকদিনের উপরে নির্ভর করে বাবা মায়ের গায়ের রং অনুসন্ধানে গায়ের রং হয় তবে তার ব্যতিক্রম আছে।

সূর্যের ক্ষতিকারক আলোকরশ্মি-  কেন পড়ে ত কালো হয়ে যায় আলোকরশ্মির কারণে ক্ষতিকারক UV-rays সংস্পর্শে আসামাত্র ত্বকে মেলানিন এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা ত্বকে কালচেভাব আনে। অত্যাধিক সূর্যের সংস্পর্শে এলে UV-rays ত্বকের সুস্বাস্থ্য কেড়ে নেয় এবং ত্বক কালচে করে।

হাইপার পিগমেন্টেশন- ত্বকের মধ্যে থাকে কোষ দ্বারা উৎপন্ন মেলানিন। এই রঞ্জক পদার্থ টিপ পরিমাণের ওপর নির্ভর করে ত্বকের রং কেমন হবে। সাধনা শ্যামলা নাকি কালো। ত্বকের মেলানিন এর মাত্রা অতিরিক্ত হলে ত্বক কালো হয়ে যায়। হাইপার পিগমেন্টেশন মাঝে মাঝে তোকে একটা নির্দিষ্ট স্থানে হয় এবং সেটা কালো দাগ বা পথ তৈরি করে।

ভিটামিনের অভাব- ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি কমপ্লেক্স খুব গুরুত্বপূর্ণ যদি শরীরে এই সব উপাদান এর অভাব থাকে তাহলে ত্বক কালো হয়ে যায়।

স্কিন ডিজিজ- চর্ম রোগের কারণে অনেক সময় ত্বক পুড়ে যায় এবং কালো হয়ে যায়। লিছেন সিম্প্লেক্স মত সমস্যার কারণে ত্বক মোটা হয়ে যায়। জ্বালা-যন্ত্রণা দেখা দেয়। চামড়া কালো হয়ে।

অপুষ্টি- শরীরে যদি সঠিক পুষ্টি না পৌঁছায় তা হলেও ত্বক কালো হয়ে যায়।

সুতরাং গায়ে প্রকৃত রং আসলে কি তা পুরোটাই মেলানিনের উপর নির্ভর করে তাই গায়ের রং উজ্জ্বল ফর্সা করার চেষ্টা আসলে এত উপকার বয়ে আনে না । তবে রোদেপোড়া প্রতিরোধ করার জন্য আপনি রোদ চশমা ছাতা সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। হঠাৎ করে রংয়ের অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


%d bloggers like this: