blog

গর্ভধারনের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক বন্ধ করার প্রভাব

অনেক বছর ধরে জন্ম নিয়ন্ত্রনের নানা পদ্ধতি চালু আছে। জন্ম নিয়ন্ত্রন হল সন্তান ধারণে অনিচ্ছুক কোনো মহিলার গর্ভধারনের প্রক্রিয়ায় বাধাদানকারী পদ্ধতি পিল, শট, ইমপ্ল্যাণ্ট এবং কিছু অন্যান্য পদার্থ যা হরমোনের পরিবর্তন মূলত প্রোজিস্টিন (যে টি আমাদের দেহের স্বাভাবিক প্রোজেস্টেরন হরমোনের সিন্থেটিক রূপ)জন্ম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এগুলি ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরনে বাধা দেয়। সার্ভাইকাল মিউকাসের পুরুত্ব বাড়িয়ে শুক্রাণুর প্রবেশে বাধা দেয়।কন্ডোম এবং সার্ভাইক্যাল ক্যাপ নিষেকে বাধা দেয়।

জন্মনিয়ন্ত্রণ বন্ধ করাঃ

বিভিন্ন কারণে মহিলারা জন্ম নিয়ন্ত্রণে আগ্রহী হন প্রধানত জন্ম নিয়ন্ত্রক পিল ব্যবহার করে। এটি তাদের নিয়মিত পিরিয়ড বজায় রাখে এবং অতিরিক্ত ঋতুস্রাবের জন্য খিঁচুনি এবং চুলকানি বন্ধ করে।জন্ম নিয়ণত্রক পিল খেলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে। নীচে কয়েককটি জন্ম নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি এবং সেগুলি বন্ধ করার উপায় বলা হল।

১। জন্ম নিয়ন্ত্রক শট

এটি “ডেকো–প্রোভেরা” নামে পরিচিত।এটি একটি ইনযেকশন যা প্রতি তিন মাস অন্তর নিতে হয়।

কীভাবে বন্ধ করা হয় – ইনজেকশন বন্ধ করলেই গর্ভধারণ করা সম্ভব।

বন্ধ করার ফল – এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল অনিয়মিত রক্তক্ষরণ যেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

২। জন্ম নিয়ন্ত্রক ইমপ্ল্যান্ট

এটি নেক্সপ্ল্যান্ট অথবা ইমপ্ল্যানট নামে পরিচিত।এটি একটি ছোটো দেশলাই কাঠির মত ছোটো বস্তু যা আপনার বাহুতে দেওয়া হয় এবং যেটি প্রোজিস্টিন ক্ষরণ ক রে এবং এটি চার বছর পর্যন্ত গর্ভধারণ রোধ করে।

কিভাবে বন্ধ করা হয় – যখন আপনি গর্ভধারন করবেন তখন আপনি ডাক্তারের কাছে গিয়ে ইমপ্ল্যান্ট টি খুলিয়ে নেবেন।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – এইটি খুলে নেবার পর ঋতু চক্র স্বাভাবিক হয়। ত্বকের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে

৩। স্পার্মাসাইট

এইটি একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া । দুই ভাবে এটি কাজ করে । প্রথমত সারভিক্স এর প্রবেশ পথ বন্ধ করে শুক্রানু কে ডিম্বানুর কাছে আসতে দেয় না। দ্বিতীয়ত শুক্রানুর গতিবেগ কমিয়ে দেয়। এই গুলো ক্রিম, জেল, ফোমের আকারে কিনতে পাওয়া যায়।

কিভাবে বন্ধ করা হয়– ব্যবহার না করলেই হল

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – ব্যবহার না করলে গর্ভবতী হওয়া যাবে

৪। নুভা রিং

ছোটো আংটির মত বস্তু যা যোনিতে লাগানো হয়। এটি শুক্রানুর প্রবেশ রোধ করে

কিভাবে বন্ধ করা হয়– নুভা রিং দুই এক দিন পর খুলে নেওয়া যায়

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – অনি ইয়মিত পিরি ইয়ড হ ইয়। নি ইয়মিত ওভ্যালুশান হ ইয় ১৩ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে

৫। জন্মনিয়ন্ত্রক পিল–

জন্মনিয়ন্ত্রনের জন্য বাজারে আনেক পিল পাওয়া যায়।এগুলো রোজ খেতে হয়।অনেক সময় এগুলো খেলে ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং ঋতুস্রাবের সময় কষ্ট কম হয়।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – পিল খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – কিছু সময় দিতে হবে যাতে আপনার দেহ মানিয়ে নেবে যখন অতিরিক্ত হরমোন (যা পিলে থাকে)তা পাবে না।এর ফলে দুটি পিরিয়ড এর মাঝে রক্তক্ষরণ হতে পারে।কয়েক মাস অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে,যদিও তারাতারি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৬। ফিমেল কন্ডোম–

ফিমেল কন্ডোম হল একটি ছোট নরম প্লাষ্টিকের তৈরী পাউচ যা সংগমের আগে যোনি তে পড়তে হয়।এটি যোনির ভিতরে থাকে এবং শুক্রনুকে ডিম্বানুর সাথে মিলনে বাধা দেয়।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – যেহেতু এটি সংগমের আগে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি না পড়লে গর্ভধারন করতে বাধা থাকে না।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – সেরকম কোনো সমস্যা হয় না।

৭। সারভ্যাইক্যাল ক্যাপ–

এটি হাতে হাতে ব্যবহার করা হয়।এটি সারভিক্স অঞ্চলে শুক্রানুর প্রবেশ বন্ধ করে গর্ভধারণ বন্ধ করে।

কিভাবে বন্ধ করা হয়–ফিমেল কন্ডোমের মত খুব সহজেই এটা বন্ধ করা যায়।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – যেহেতু এটি হরমোনের উপর কাজ ক রে না তাই সে রকম কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই । এটা বন্ধ করলে আপনি প্রেগনেন্ট হয়ে যেতে পারেন।

৮। জন্মনিয়ন্ত্রক প্যাচ–

এটি আপনার পেটের চামরার গর্ভধারনের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রক বন্ধ করার প্রভাব

অনেক বছর ধরে জন্ম নিয়ন্ত্রনের নানা পদ্ধতি চালু আছে। জন্ম নিয়ন্ত্রন হল সন্তান ধারণে অনিচ্ছুক কোনো মহিলার গর্ভধারনের প্রক্রিয়ায় বাধাদানকারী পদ্ধতি পিল, শট, ইমপ্ল্যাণ্ট এবং কিছু অন্যান্য পদার্থ যা হরমোনের পরিবর্তন মূলত প্রোজিস্টিন (যে টি আমাদের দেহের স্বাভাবিক প্রোজেস্টেরন হরমোনের সিন্থেটিক রূপ)জন্ম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এগুলি ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরনে বাধা দেয়। সার্ভাইকাল মিউকাসের পুরুত্ব বাড়িয়ে শুক্রাণুর প্রবেশে বাধা দেয়।কন্ডোম এবং সার্ভাইক্যাল ক্যাপ নিষেকে বাধা দেয়।

জন্মনিয়ন্ত্রণ বন্ধ করাঃ

বিভিন্ন কারণে মহিলারা জন্ম নিয়ন্ত্রণে আগ্রহী হন প্রধানত জন্ম নিয়ন্ত্রক পিল ব্যবহার করে। এটি তাদের নিয়মিত পিরিয়ড বজায় রাখে এবং অতিরিক্ত ঋতুস্রাবের জন্য খিঁচুনি এবং চুলকানি বন্ধ করে।জন্ম নিয়ণত্রক পিল খেলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে। নীচে কয়েককটি জন্ম নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি এবং সেগুলি বন্ধ করার উপায় বলা হল।

১। জন্ম নিয়ন্ত্রক শট

এটি “ডেকো–প্রোভেরা” নামে পরিচিত।এটি একটি ইনযেকশন যা প্রতি তিন মাস অন্তর নিতে হয়।

কীভাবে বন্ধ করা হয়

ইনজেকশন বন্ধ করলেই গর্ভধারণ করা সম্ভব।

বন্ধ করার ফল–এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল অনিয়মিত রক্তক্ষরণ যেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

২। জন্ম নিয়ন্ত্রক ইমপ্ল্যান্ট

এটি নেক্সপ্ল্যান্ট অথবা ইমপ্ল্যানট নামে পরিচিত।এটি একটি ছোটো দেশলাই কাঠির মত ছোটো বস্তু যা আপনার বাহুতে দেওয়া হয় এবং যেটি প্রোজিস্টিন ক্ষরণ ক রে এবং এটি চার বছর পর্যন্ত গর্ভধারণ রোধ করে।

কিভাবে বন্ধ করা হয় – যখন আপনি গর্ভধারন করবেন তখন আপনি ডাক্তারের কাছে গিয়ে ইমপ্ল্যান্ট টি খুলিয়ে নেবেন।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – এইটি খুলে নেবার পর ঋতু চক্র স্বাভাবিক হয়। ত্বকের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে

৩। স্পার্মাসাইট

এইটি একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া । দুই ভাবে এটি কাজ করে । প্রথমত সারভিক্স এর প্রবেশ পথ বন্ধ করে শুক্রানু কে ডিম্বানুর কাছে আসতে দেয় না। দ্বিতীয়ত শুক্রানুর গতিবেগ কমিয়ে দেয়। এই গুলো ক্রিম, জেল, ফোমের আকারে কিনতে পাওয়া যায়।

কিভাবে বন্ধ করা হয়– ব্যবহার না করলেই হল

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – ব্যবহার না করলে গর্ভবতী হওয়া যাবে

৪। নুভা রিং

ছোটো আংটির মত বস্তু যা যোনিতে লাগানো হয়। এটি শুক্রানুর প্রবেশ রোধ করে

কিভাবে বন্ধ করা হয়– নুভা রিং দুই এক দিন পর খুলে নেওয়া যায়

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – অনি ইয়মিত পিরি ইয়ড হ ইয়। নি ইয়মিত ওভ্যালুশান হ ইয় ১৩ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে

৫। জন্মনিয়ন্ত্রক পিল–

জন্মনিয়ন্ত্রনের জন্য বাজারে আনেক পিল পাওয়া যায়।এগুলো রোজ খেতে হয়।অনেক সময় এগুলো খেলে ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং ঋতুস্রাবের সময় কষ্ট কম হয়।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – পিল খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – কিছু সময় দিতে হবে যাতে আপনার দেহ মানিয়ে নেবে যখন অতিরিক্ত হরমোন (যা পিলে থাকে)তা পাবে না।এর ফলে দুটি পিরিয়ড এর মাঝে রক্তক্ষরণ হতে পারে।কয়েক মাস অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে,যদিও তারাতারি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৬। ফিমেল কন্ডোম–

ফিমেল কন্ডোম হল একটি ছোট নরম প্লাষ্টিকের তৈরী পাউচ যা সংগমের আগে যোনি তে পড়তে হয়।এটি যোনির ভিতরে থাকে এবং শুক্রনুকে ডিম্বানুর সাথে মিলনে বাধা দেয়।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – যেহেতু এটি সংগমের আগে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি না পড়লে গর্ভধারন করতে বাধা থাকে না।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – সেরকম কোনো সমস্যা হয় না।

৭। সারভ্যাইক্যাল ক্যাপ–

এটি হাতে হাতে ব্যবহার করা হয়।এটি সারভিক্স অঞ্চলে শুক্রানুর প্রবেশ বন্ধ করে গর্ভধারণ বন্ধ করে।

কিভাবে বন্ধ করা হয়–ফিমেল কন্ডোমের মত খুব সহজেই এটা বন্ধ করা যায়।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – যেহেতু এটি হরমোনের উপর কাজ ক রে না তাই সে রকম কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই । এটা বন্ধ করলে আপনি প্রেগনেন্ট হয়ে যেতে পারেন।

৮। জ ন্ম নিয়ন্ত্রক প্যাচ –

পেটের চামড়ার ওপর বসানো হয় প্যাচ যা অনেক ক্ষেত্রে বাহুতে, পাছায়, পিঠেও বসানো হয়। এটা হরমোন ক্ষরণের সাহায্যে জন্মনিয়ন্ত্রন করে। প্রতি সপ্তাহে নতুন প্যাচ লাগাতে হয়।

কিভাবে বন্ধ করা হয়– প্যাচ পরা বন্ধ করলে গর্ভধারণ সম্ভব।

বন্ধ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া –দুই তিন মাসের মধ্যে পিরিয়ড স্বাভাবিক হয়ে যায়।

আপনি অথবা আপনার সঙ্গী যদি প্রজননে অক্ষম হন তবে কী করণীয়

মহিলাদের বন্ধ্যত্বকরন করা হয় টিউবাল লিটিগেশন বা টিউবাল স্টেরিলাইজেশনেরর মাধ্যমে।এটি হল স্থায়ী সমাধান যারা সন্তান নিতে চান না। দুটি উপায়ে এটা করা হয়। ফ্যালোপিয়ান টিউব কেটে বাদ দিয়ে বা বন্ধ করে অথবা ফ্যালোপিয়ন টিউবটিকে কোনো কিছু দিয়ে ভ র্তি ক রে দেওয়া হয়। ডিম্বাণু যদি ফ্যালোপিয়ন টিউবের মধ্য দিয়ে না যেতে পারে তাহলে শুক্রানুকে নিষিক্ত করতে পারে না। পুরুষদের বন্ধ্যত্বকরণকে বলে ভ্যাসেক্টামি। এতে শুক্রনালী পথ বন্ধ করা হয়।

পুরুষ মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা ফিরে পাওয়া জটিল ও ব্যয় সাপেক্ষ। বন্ধ্যত্বকরনের সময় অনেক ক্ষেত্রে টিউব গুলো নষ্ট হয়ে যায় ফলে সেগুলি আর ঠিক হয় না। বন্ধ্যত্বকরন এবং পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা ফিরে পাবার জন্য করা অস্ত্রোপচারে মধ্যে সময়ের ব্যাবধান বেশী হলে সন্তান ধারনের সম্ভবনা কমে যায়।

টিউবাল লিটিগেশজন এর ক্ষেত্রে পুনরায় গর্ভধানেরহার ৩১% থেকে ৮৮% হয়। অনেক সময় মহিলাদের ক্ষেত্রে এক্টোপিক প্রেগনেন্সি দেখা যায়।এক্ষেত্রে ডিম্বানুটি গর্ভাশয়ের বাইরে নিষিক্ত হয় যা অত্যন্ত বিপদের ব্যাপার। পুরুষ মহিলাদের পুনরায় গর্ভধারনের হার যথাক্রমে ৩০% থেকে৭৫%।

যদি পুনরায় গর্ভধারন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় তবে রাস্তা হল ইন ভিট্র ফার্টিলাইজেশন। এই পদ্ধতিতে শুক্রানু ও ডিম্বানুর মিলন ল্যাবয়টারিতে ঘটানো হয় এবং নিষিক্ত ডিম্বানুটিকে জরায়ুতে রোপন করা হয়।

গর্ভধারণের জন্য যখন আপনি জন্মনিয়ন্ত্রণ বন্ধ করবেন তখন কি কী বিষয়ের উপর নজর দেবেন

১।জন্মনিয়ন্ত্রন বন্ধ করে পুনরায় গর্ভধারন করতে হলে বিভিন্ন পন্থা গুলো মাথায় রাখতে হবে। বাধাযুক্ত পন্থা গুলো সহজেই দূর করে গর্ভধারন করা যায় কিন্তু সমস্যা হয় যখন হরমোন সংক্রান্ত বাধাগুলো বন্ধ ক রলে আপনার শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এখানে কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করা হল যা গর্ভনিরোধক বন্ধ করার আগে দেখে নিতে পারেন।

অনেক মানুষ। ভাবেন যে। জন্মনিয়ন্ত্রণের পর। তাদের। সন্তান ধারণের। ক্ষমতা। ফিরে পাবেন না। তবে। তা সব সময়। সঠিক নিয়ম। । কোন কোন। মহিলার ক্ষেত্রে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ। পিল। বন্ধ করার। দুই এক সপ্তাহ। কর। সন্তান। ধারণ করা সম্ভব। কয়েকজন। ভাগ্যশালী হন। যারা। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই। সন্তান ধারণের। যোগ্য হয়ে ওঠেন। কোনরকম। অসুবিধা ছাড়াই। আপনার। শরীর। এক দুই মাসের মধ্যে। এটা স্বাভাবিক অবস্থায়। ফিরে আসে

২।মধ্যবর্তী সময়ের কার্যকারিতা
। আগে যেমন বলা হয়েছে। । স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে। কয়েক মাস সময় লাগে। এই সময়   স্পটিং স্বাভাবিক এর থেকে বেশী ঋতুস্রাব হ্য় কিছু সময় লাগে রিএডজাস্ট হতে।

৩।খিচুনি, চুলকানি প্রভ্রতি দেখা যায় পিরিয়ড চলা কালীন। যদি আপনি এই সমস্যা গুলি এড়াবার জন্য গ র্ভনিরোধক ব্যবহার করেন তাহ্লে এগুলো আবার ফিরে আসবে।অনেক মহিলার ঋতুচক্র সময় পরিবর্তন  ঘটে। মনে করা যাক আপনি ১৮ বছর বয়সে গ র্ভনিরোধক ব্যবহার শুরু করেছিলেন,এখন আপনি বয়স ৩০ বছর বয়সে তা বন্ধ করতে চান তা হলে আগের সময়ের পরিবর্তন  হয়ে যাবে।

৪।দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় শট নেবার ক্ষেত্রে।
যারা গ র্ভনিরোধক হিসাবে শট ব্যবহার করতেন তাদের দীর্ঘ সময় প্রায় ছয় মাস অপেক্ষা করতে হয় শট বন্ধ করার পর থেকে  স্বাভাবিক পিরিওয়ড হতে। যদিও শট এর কার্য কারিতা প্রতি ক্ষেত্রে তিন মাস থাকে।  যারা  দ্রুত গ র্ভনিরোধক বন্ধ করার পর সঅন্তান লাভ করতে চান তাদের শট ব্যবহার না করাই ভাল।
কিছু প্রকার গ র্ভনিরোধক আছে যেগুলো বন্ধ করার সাথে সাথেই সন্তান ধারন সম্ভব। কিছু নিরোধক আছে যা বন্ধ করার প্ র থেকে।সময় লাগে ঋতুচক্র স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। মনে রাখতে হবে যদি আপনি কোনো  উপরে ব্অলা কোনো হরমোনাল গর্ভনিরোধক  ব্যবহার করেন তা বন্ধ করলে পুরো বিষটির পরিবর্তন ঘটবে। এটা অনেক বেশী নির্ভর করে জীবন যাত্রা অভ্যস এর উপর তুলনায় গ র্ভনিরোধেকের। আপনি অবশ্য ই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন যখন আপনি গ র্ভধারন করতে চান যখন আপনি জন্মনিয়ন্ত্রন করেছিলেন ঋতুস্রাব জনিত সমস্যার জন্য। যেহেতু হরমোনাল গর্ভনিরোধক পিরিয়ড চলা কালীন অনুভূতি গুলি হ্রাস করে তাই এটি বন্ধ করলে অনেকে বুঝতে পারেন না ওভুলেশন হয়ে গেছে কিনা।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


%d bloggers like this: