blog

গায়ে হওয়া অ্যালার্জি থেকে মুক্তি

চিংড়ির লোভনীয় পদটা বেশ আনন্দে খাচ্ছেন।ব্যাস কিছুক্ষণ পরেই গা ফুলে ঢোল।বা ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে হেঁচে একাকার।এরকম স্কিন অ্যালার্জির রয়েছে শত শত কারণ।আর এগুলো থেকে নিজেকে মুক্ত রাখাও বেশ কঠিন।একটু অসাবধান হলেই,ব্যাস, স্কিনে অ্যালার্জি আক্রমণ।তাই আজ দিচ্ছি এই স্কিন অ্যালার্জি থেকে মুক্ত থাকার কিছু টিপস।দেখে নিন কীভাবে মুক্ত থাকবেন স্কিন অ্যালার্জি থেকে।

১।বেকিং সোডাঃ- স্কিন অ্যালার্জি থেকে মুক্ত থাকতে অনেক সময় ডাক্তাররা বেকিং সোডা ব্যবহারের পরামর্শ দেন।কারণ বেকিং সোডা সত্যি খুব ভালো কাজ করে স্কিন অ্যালার্জি থেকে মুক্ত থাকতে।

ব্যবহার পদ্ধতি

স্নানের জলে একটু বেকিং সোডা মিশিয়ে স্নান করতে পারেন যখন অ্যালার্জি দেখা দেবে।না হলে সপ্তাহে দু থেকে তিনদিন এটা করতে পারেন অ্যালার্জি থেকে মুক্ত থাকার জন্য।এছাড়াও এক বালতি গরম জলে এক কাপ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন।এবার ওই গরমজলে যেখানে অ্যালার্জি হয়েছে সেই জায়গাটি ডুবিয়ে রাখুন।ধরুন হাতে বা পায়ে অ্যালার্জি হয়েছে,তাহলে হাত বা পা-টা ওই জলে ডুবিয়ে রাখুন।৩০ মিনিট রাখুন।তারপর জলে থেকে তুলে মুছে নিন।বা গায়ে অ্যালার্জি হলে ওই বেকিং সোডা দেওয়া জল অ্যালার্জির স্থানে লাগাতে পারেন।

২। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার

এটাও খুব ভালো কাজ করে অ্যালার্জির সমস্যায়।এটা অ্যালার্জি-জনিত সম্পূর্ণ ভাইরাসকে নির্মূল করে।আর শরীরকে অ্যালার্জির হাত থেকে বাঁচায়।

ব্যবহার পদ্ধতি

একটা পাত্রে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিন।এবার এতে তুলোর বল ডুবিয়ে, অ্যালার্জির জায়গায় লাগান।১০ মিনিট রাখুন।এটা দিনে দু’বার করে করুন।দেখবেন কত তাড়াতাড়ি অ্যালার্জি থেকে মুক্ত হবেন।

৩। লেবুর রসঃ- লেবুর রসে আছে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা যে কোনো স্কিন প্রবলেম নির্মূল করার সাথে সাথে,অ্যালার্জির মত স্কিন প্রবলেমও খুব সহজেই কমিয়ে দেয়।

ব্যবহার পদ্ধতি

কিচ্ছু না,জাস্ট লেবুর রস আপনার অ্যালার্জির জায়গায় লাগান।তারপর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন।এটা সাময়িক একটু জ্বালা করতে পারে।কিন্তু এটা দেখবেন কত তাড়াতাড়ি আপনার এই সমস্যা কমিয়েও দেবে।

৪। অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরায় আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল,অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান।তাই বুঝতেই পারছেন অ্যালোভেরা জেল কত ভালো কাজ করবে,এইসব স্কিন ইনফেকশনে।

ব্যবহার পদ্ধতি

একদম ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল হলে খুব ভালো।এক্ষেত্রে বাড়িতে গাছ থাকলে খুব ভালো।না হলে দোকান থেকে ভালো অ্যালোভেরা জেল কিনে নিন।এবার এই জেল জাস্ট অ্যালার্জির জায়গায় লাগিয়ে রাখুন।আধঘণ্টা রাখুন।তারপর ধুয়ে নিন।দিনে দু’বার করে করুন।

৫। পুদিনা পাতা

বাজারে গিয়ে আগে কিনুন পুদিনা পাতা,কারণ এটা আপনাকে সাহায্য করবে অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকতে।কারণ প্রথমত,এটা খুব ঠাণ্ডা যেটা স্কিনকে ঠাণ্ডা করে।আর এতে আছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।অ্যালার্জির মত স্কিন প্রবলেমে তো অসাধারণ কাজ করেই।

ব্যবহার পদ্ধতি

এটা বিভিন্ন রকম ভাবেই আপনার সুবিধা মত ব্যবহার করতে পারেন।যেমন কাঁচা পুদিনা পাতার পেস্ট করে লাগাতে পারেন অ্যালার্জির জায়গায়।এছাড়াও একটা পাত্রে জল গরম করুন।তাতে পুদিনা দিয়ে ভালো করে ফোটান।জলটা সবুজ হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।ঠাণ্ডা হলে,এই জলে একটা পরিষ্কার সুতির কাপড় ভিজিয়ে রাখুন।এরপর এই কাপড় ওই অ্যালার্জির স্থানে দিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট।এভাবে সারা গায়ে পুদিনার জল দিন।এছাড়া আপনি পুদিনা চা বানিয়েও এর সাথে খেতে পারেন ভেতর থেকে ভালো থাকতে।জলে পুদিনা ফুটিয়ে সেই জল খেতে পারেন।এগুলো রোজ করুন।অ্যালার্জির থেকে অনেকটা দূরে থাকতে পারবেন।

 

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


%d bloggers like this: