blog

ভাত বেশি মাত্রা খাওয়া শরীরের পক্ষে ঠিক না।

অতিরিক্ত ভাত খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। ভাত বেশি পরিমান খেলে শরীরে ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ধমনীতে রক্ত চলাচলে সমস্যা দেখা দেয় ওজন বেড়ে গেলে। হজম হবার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। খাবার ঠিক ভাবে হজম হয় না ফলে পাচনপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে না। ওজন বেড়ে গেলে খাবার শরীরের ভিতরে গিয়ে বিভাজিত হয় না ঠিকঠাক, সেই জন্য হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ভাত শরীরের কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজম কমিয়ে দেয় ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

অতিরিক্ত ভাত শরীরের ভিটামিন, আয়রনের বৃদ্ধিতে বাধা তৈরি করে। আপনার ডায়েটে যদি অধিক মাত্রায় ভাত থাকে তাহলে আপনার শরীরে ভিটামিন বি হ্রাস পাবে। শরীর থেকে জিঙ্ক অপসারিত হতে থাকবে যা শরীরের জন্য ভালো না। যদি আপনি অতিরিক্ত পরিমান ভাত খাওয়ার অভ্যেস থাকে তাহলে তা একেবারে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ভাত খাওয়ার পরিমান কমানো সম্ভব।

মানবদেহের শক্তির মূল উৎস শর্করা, কার্বোহাইড্রেট, চিনি। কিন্তু অধিক মাত্রায় এগুলি শরীরে থাকলে শরীরে সমস্যা তৈরি হয়। কার্বোহাইড্রেট শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানের বেশি থাকলে শরীর নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাত অরিতিক্ত পরিমান খেলে দেহে শর্করা, চিনি, কার্বোহাইড্রেট বেড়ে যায় ফলে নানারকম রোগ চলে আসে শরীরে। 

ভাত বেশিমাত্রায় খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা ৯০% মানুষের মধ্যে দেখা দেয়। সার্ভে করে দেখা গিয়েছে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা  ভাত খাওয়ার থেকে বেশি মাত্রায় হয়। অতিরিক্ত চিনি থাকে ভাতে যা থেকে গ্যাসের সমস্যা হয়। এই গ্যাস থেকে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৯০% । যা গ্যাস্ট্রিক আলসারের মত সমস্যার তৈরি করে শরীরে।

চিনি বেশি মাত্রায় শরীরে জমতে শুরু করলে ডায়বেটিস হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শরীরে থাকা বীটাকোষ ইন্সুলিন পর্যাপ্ত পরিমান তৈরি করতে অক্ষম হয়ে যায়। রক্তে চিনির পরিমান বেড়ে যেতে থাকে। ডায়বেটিস হলে মানবদেহ ধীরে ধীরে নানান রোগের মুখোমুখি হতে থাকে।

ভাত আলস্যতা বাড়িয়ে দেয় শরীরে। ফলে পরিশ্রম করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। যারা রুটি খান তারা বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু ভাত খেলে শরীরে আলসেমি তৈরি হয়। কাজ করার উৎসাহ কমে যায়। 

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *